
Annapurna Mata Chalisa
অন্নপূর্ণা মাতা চालीসা
অন্নপূর্ণা মাতা চালীসা একটি বিশেষ ধর্মীয় স্তোত্র যা দেবী অন্নপূর্ণার প্রতি নিবেদিত। অন্নপূর্ণা মাতা হলেন খাদ্য ও পুষ্টির দেবী, যিনি জীবনের মৌলিক প্রয়োজনীয়তা পূরণের জন্য পরিচিত। এই চালীসার মাধ্যমে ভক্তরা দেবীর কাছে আহ্বান জানান, যাতে তিনি তাঁদের জীবনে শান্তি, সমৃদ্ধি এবং পুষ্টির অভাব দূর করেন। অন্নপূর্ণা মাতা চালীসা পাঠের মাধ্যমে ভক্তরা শারীরিক, মানসিক এবং আধ্যাত্মিক লাভ অর্জন করতে পারেন। এটি মনকে শুদ্ধ করে এবং আত্মবিশ্বাস বাড়ায়। নিয়মিত এই চালীসা পাঠ করলে জীবনের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান ঘটে এবং দেবী অন্নপূর্ণার আশীর্বাদ লাভ হয়। যারা দারিদ্র্য ও অভাবের মধ্যে আছেন তাদের জন্য এটি বিশেষভাবে উপকারী। এই চালীসা সকালে বা সন্ধ্যায়, সম্ভব হলে পবিত্র স্থান বা মন্দিরে পাঠ করা উচিত। ৪০টি স্তবক সম্বলিত এই স্তোত্রটি মনোযোগ সহকারে ও সঠিক উচ্চারণে পাঠ করা হলে দেবীর আশীর্বাদ লাভ হয়। ভক্তদের জন্য এটি একটি শক্তিশালী মাধ্যম যা তাদের জীবনে সুখ এবং সমৃদ্ধি আনয়ন করতে সাহায্য করে।
বিশ্বেশ্বর-পদপদম কী, রজ-নিজ শীশ-লগায়।
অন্নপূর্ণে! তব সুয়শ, বরনৌং কবি-মতিলায়॥
॥চৌপাঈ॥
নিত্য আনন্দ করিণী মাতা।
বর-অরু অভয় ভাব প্রখ্যাতা॥
জয়! সৌন্দর্য সিন্ধু জগ-জননী।
অখিল পাপ হর ভব-ভয় হরনী॥
শ্বেত বদন পর শ্বেত বসন পুনি।
সন্তন তুব পদ সেবত ঋষিমুনি॥
কাশী পুরাধীশ্বরী মাতা।
মাহেশ্বরী সকল জগ-ত্রাতা॥
বৃষভারুঢ় নাম রুদ্রাণী।
বিশ্ব বিহারিণি জয়! কল্যাণী॥
পদিদেবতা সুতীত শিরোমনি।
পদবী প্রাপ্ত কীহ্ন গিরি-নন্দিনি॥
পতি বিছোহ দুখ সহি নহি পাবা।
যোগ অগ্নি তব বদন জরাবা॥
দেহ তজত শিব-চরণ সনেহূ।
রাখেহু জাতে হিমগিরি-গেহূ॥
প্রকটী গিরিজা নাম ধরায়ো।
অতি আনন্দ ভবন মঁহ ছায়ো॥
নারদ নে তব তোহিং ভরমায়হু।
ব্যাহ করন হিত পাঠ পঢ়ায়হু॥
ব্রহ্মা-বরুণ-কুবের গনায়ে।
দেবরাজ আদিক কহি গায়॥
সব দেবন কো সুজস বখানী।
মতিপলটন কী মন মঁহ ঠানী॥
অচল রহীং তুম প্রণ পর ধন্যা।
কীহ্নী সিদ্ধ হিমাচল কন্যা॥
নিজ কৌ তব নারদ ঘবরায়ে।
তব প্রণ-পূরণ মন্ত্র পঢ়ায়ে॥
করন হেতু তপ তোহিং উপদেশেউ।
সন্ত-বচন তুম সত্য পরেখেহু॥
গগনগিরা সুনি টরী ন টারে।
ব্রহ্মা, তব তুব পাস পধারে॥
কহেউ পুত্রি বর মাঁগু অনূপা।
দেহুঁ আজ তুব মতি অনুরুপা॥
তুম তপ কীন্হ অলৌকিক ভারী।
কষ্ট উঠায়েহু অতি সুকুমারী॥
অব সন্দেহ ছাঁড়ি কছু মোসোং।
হৈ সৌগন্ধ নহীং ছল তোসোং॥
করত বেদ বিদ ব্রহ্মা জানহু।
বচন মোর যহ সাঞ্চো মানহু॥
তজি সঙ্কোচ কহহু নিজ ইচ্ছা।
দেহৌং মৈং মন মানী ভিক্ষা॥
সুনি ব্রহ্মা কী মধুরী বানী।
মুখসোং কছু মুসুকায়ি ভবানী॥
বোলী তুম কা কহহু বিধাতা।
তুম তো জগকে স্রষ্টাধাতা॥
মম কামনা গুপ্ত নহিং তোংসোং।
কহবাবা চাহহু কা মোসোং॥
ইজ্ঞ যজ্ঞ মহঁ মরতী বারা।
শম্ভুনাথ পুনি হোহিং হমারা॥
সো অব মিলহিং মোহিং মনভায়।
কহি তথাস্তু বিধি ধাম সিধায়ে॥
তব গিরিজা শঙ্কর তব ভয়ঊ।
ফল কামনা সংশয় গয়ঊ॥
চন্দ্রকোটি রবি কোটি প্রকাশা।
তব আনন মহঁ করত নিবাসা॥
মালা পুস্তক অঙ্কুশ সোহৈ।
করমঁহ অপর পাশ মন মোহে॥
অন্নপূর্ণে! সদপূর্ণে।
অজ-অনবদ্য অনন্ত অপূর্ণে॥
কৃপা সগরী ক্ষেমঙ্করী মাঁ।
ভব-বিভূতি আনন্দ ভরী মাঁ॥
কমল বিলোচন বিলসিত বালে।
দেবি কালিকে! চণ্ডি করালে॥
তুম কৈলাস মাংহি হ্বৈ গিরিজা।
বিলসী আনন্দসাথ সিন্ধুজা॥
স্বর্গ-মহালক্ষ্মী কহলায়ী।
মর্ত্য-লোক লক্ষ্মী পদপায়ী॥
বিলসী সব মঁহ সর্ব সরুপা।
সেবত তোহিং অমর পুর-ভূপা॥
জো পঢ়িহহিং যহ তুব চালীসা।
ফল পইহহিং শুভ সাখী ঈসা॥
প্রাত সময় জো জন মন লায়ো।
পঢ়িহহিং ভক্তি সুরুচি অঘিকায়ো॥
স্ত্রী-কলত্র পতি মিত্র-পুত্র যুত।
পরমৈশ্বর্য লাভ লহি অদ্ভুত॥
রাজ বিমুখকো রাজ দিবাবৈ।
জস তেরো জন-সুজস বঢ়াবৈ॥
পাঠ মহা মুদ মঙ্গল দাতা।
ভক্ত মনো বাঞ্ছিত নিধিপাতা॥
॥দোহা॥
জো যহ চালীসা সুভগ, পঢ়ি নাবহিঙ্গে মাথ।
তিনকে কারজ সিদ্ধ সব, সাখী কাশী নাথ॥