
Bagalamukhi Mata Chalisa
বগলামুখী মাতা চालीসা
বগলামুখী মাতা চালিাসা, দেবী বগলামুখীকে উদ্দেশ্য করে রচিত একটি পবিত্র স্তোত্র। বগলামুখী মাতা হলেন শক্তির প্রকাশ, যিনি জ্ঞান ও বুদ্ধির অধিষ্ঠাত্রী। এই চালিাসা পুণ্য আত্মার জন্য এক বিশেষ সঙ্গী, যিনি জীবনের সংকট ও বাধা অতিক্রমে সহায়তা করেন। শাস্ত্র মতে, বগলামুখী মাতা সমস্ত দুষ্ট শক্তির বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ সরবরাহ করেন এবং মন্দের মুখে বাঁধা দিতে সক্ষম হন। এই চালিাসা পাঠের উদ্দেশ্য হল দেবীর আশীর্বাদ লাভ করা এবং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করা। এটি পাঠ করলে মানসিক শান্তি, আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি এবং শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি পায়। বিশেষ করে, যে ব্যক্তিরা কর্মক্ষেত্রে প্রতিহিংসা বা প্রতিকূলতা অনুভব করেন, তারা এই চালিাসার মাধ্যমে শক্তি ও সাহস লাভ করেন। বগলামুখী মাতা চালিাসা সাধারণত মঙ্গলবার ও শুক্রবার পাঠ করা হয়। এটি একান্ত মনোযোগ সহকারে এবং সঠিক উচ্চারণে পড়া উচিত। দেবীর প্রতি ভক্তি ও শ্রদ্ধা নিয়ে পাঠ করলে আশীর্বাদ লাভের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এই চালিাসা ক
সির নবাই বগলামুখী, লিখূঁ চালীসা আজ।
কৃপা করহু মোপর সদা, পূরন হো মম কাজ॥
॥চৌপাঈ॥
জয় জয় জয় শ্রী বগলা মাতা।
আদিশক্তি সব জগ কী ত্রাতা॥
বগলা সম তব আনন মাতা।
এহি তে ভয়উ নাম বিখ্যাতা॥
শশি ললাট কুণ্ডল ছবি ন্যারী।
অস্তুতি করহিং দেব নর-নারী॥
পীতবসন তন পর তব রাজৈ।
হাথহিং মুদ্গর গদা বিরাজৈ॥
তীন নয়ন গল চম্পক মালা।
অমিত তেজ প্রকটত হৈ ভালা॥
রত্ন-জটিত সিংহাসন সোহৈ।
শোভা নিরখি সকল জন মোহৈ॥
আসন পীতবর্ণ মহারানী।
ভক্তন কী তুম হো বরদানী॥
পীতাভূষণ পীতহিং চন্দন।
সুর নর নাগ করত সব বন্দন॥
এহি বিধি ধ্যান হৃদয় মেং রাখৈ।
বেদ পুরাণ সন্ত অস ভাখৈ॥
অব পূজা বিধি করৌং প্রকাশা।
জাকে কিয়ে হোত দুখ-নাশা॥
প্রথমহিং পীত ধ্বজা ফহরাবৈ।
পীতবসন দেবী পহিরাবৈ॥
কুঙ্কুম অক্ষত মোদক বেসন।
অবির গুলাল সুপারী চন্দন॥
মাল্য হরিদ্রা অরু ফল পানা।
সবহিং চঢ়ই ধরৈ উর ধ্যানা॥
ধূপ দীপ কর্পূর কী বাতী।
প্রেম-সহিত তব করৈ আরতী॥
অস্তুতি করৈ হাথ দোউ জোরে।
পুরবহু মাতু মনোরথ মোরে॥
মাতু ভগতি তব সব সুখ খানী।
করহু কৃপা মোপর জনজানী॥
ত্রিবিধ তাপ সব দুঃখ নশাবহু।
তিমির মিটাকর জ্ঞান বঢ়াবহু॥
বার-বার মৈং বিনবউঁ তোহীং।
অবিরল ভগতি জ্ঞান দো মোহীং॥
পূজনান্ত মেং হবন করাবৈ।
সো নর মনবাঞ্ছিত ফল পাবৈ॥
সর্ষপ হোম করৈ জো কোঈ।
তাকে বশ সচরাচর হোঈ॥
তিল তণ্ডুল সঙ্গ ক্ষীর মিরাবৈ।
ভক্তি প্রেম সে হবন করাবৈ॥
দুঃখ দরিদ্র ব্যাপৈ নহিং সোঈ।
নিশ্চয় সুখ-সম্পতি সব হোঈ॥
ফূল অশোক হবন জো করঈ।
তাকে গৃহ সুখ-সম্পত্তি ভরঈ॥
ফল সেমর কা হোম করীজৈ।
নিশ্চয় বাকো রিপু সব ছীজৈ॥
গুগ্গুল ঘৃত হোমৈ জো কোঈ।
তেহি কে বশ মেং রাজা হোঈ॥
গুগ্গুল তিল সঁগ হোম করাবৈ।
তাকো সকল বন্ধ কট জাবৈ॥
বীজাক্ষর কা পাঠ জো করহীং।
বীজমন্ত্র তুম্হরো উচ্চরহীং॥
এক মাস নিশি জো কর জাপা।
তেহি কর মিটত সকল সন্তাপা॥
ঘর কী শুদ্ধ ভূমি জহঁ হোঈ।
সাধক জাপ করৈ তহঁ সোঈ॥
সোই ইচ্ছিত ফল নিশ্চয় পাবৈ।
জামে নহিং কছু সংশয় লাবৈ॥
অথবা তীর নদী কে জাঈ।
সাধক জাপ করৈ মন লাঈ॥
দস সহস্র জপ করৈ জো কোঈ।
সকল কাজ তেহি কর সিধি হোঈ॥
জাপ করৈ জো লক্ষহিং বারা।
তাকর হোয় সুয়শ বিস্তারা॥
জো তব নাম জপৈ মন লাঈ।
অল্পকাল মহঁ রিপুহিং নসাঈ॥
সপ্তরাত্রি জো জাপহিং নামা।
বাকো পূরন হো সব কামা॥
নব দিন জাপ করে জো কোঈ।
ব্যাধি রহিত তাকর তন হোঈ॥
ধ্যান করৈ জো বন্ধ্যা নারী।
পাবৈ পুত্রাদিক ফল চারী॥
প্রাতঃ সায়ং অরু মধ্যানা।
ধরে ধ্যান হোবৈ কল্যানা॥
কহঁ লগি মহিমা কহৌং তিহারী।
নাম সদা শুভ মঙ্গলকারী॥
পাঠ করৈ জো নিত্য চালীসা।
তেহি পর কৃপা করহিং গৌরীশা॥
॥দোহা॥
সন্তশরণ কো তনয় হূঁ, কুলপতি মিশ্র সুনাম।
হরিদ্বার মণ্ডল বসূঁ, ধাম হরিপুর গ্রাম॥
উন্নীস সৌ পিচানবে সন্ কী, শ্রাবণ শুক্লা মাস।
চালীসা রচনা কিয়ৌং, তব চরণন কো দাস॥