
Kali Mata Chalisa
কালী মাতা চালিসা
কালী মাতা চালিসা হল একটি পবিত্র ভজন, যা মহাকালী, দেবী কালীকে উদ্দেশ্য করে রচিত। দেবী কালী শক্তির প্রতীক এবং অন্ধকার থেকে আলোর দিকে নিয়ে যাওয়ার এক অনন্য অবতার। এই চালিসায় কালী মাতার গুণ ও মহিমার বর্ণনা করা হয়েছে, যা ভক্তদের মনে সাহস, শক্তি এবং আধ্যাত্মিক উন্মোচন ঘটায়। কালী মাতা চালিসা পাঠের উদ্দেশ্য হল দেবী কালীকে সন্তুষ্ট করা এবং তাঁর আশীর্বাদ লাভ করা। এটি বিশেষ করে অশুভ শক্তি, ভয় ও নেতিবাচক চিন্তাধারা থেকে মুক্তি পেতে সহায়ক। এই চালিসা পাঠের মাধ্যমে ভক্তরা মানসিক শান্তি, শারীরিক সুস্থতা এবং আধ্যাত্মিক উন্নতি লাভ করে। নিয়মিত এই চালিসা পাঠের ফলে জীবনের জটিলতা ও সমস্যাগুলো দূর হয় এবং ভক্তদের জীবনে সুখ, সমৃদ্ধি ও সাফল্য প্রবাহিত হয়। কালী মাতা চালিসা সাধারণত নবমী তিথিতে অথবা শনি ও মঙ্গলদেবের দিন পাঠ করা হয়, কিন্তু যে কোনো সময় এই চালিসা পাঠ করা যেতে পারে। এটি গায়ে গিয়ে বা সঠিকভাবে মনোনিবেশ করে পাঠ করা উচিত, যাতে কালী
জয় কালী জগদম্ব জয়, হরনি ওঘ অঘ পুঞ্জ।
বাস করহু নিজ দাস কে, নিশদিন হৃদয় নিকুঞ্জ॥
জয়তি কপালী কালিকা, কঙ্কালী সুখ দানি।
কৃপা করহু বরদায়িনী, নিজ সেবক অনুমানি॥
॥ চৌপাঈ ॥
জয় জয় জয় কালী কঙ্কালী।
জয় কপালিনী, জয়তি করালী॥
শঙ্কর প্রিয়া, অপর্ণা, অম্বা।
জয় কপর্দিনী, জয় জগদম্বা॥
আর্যা, হলা, অম্বিকা, মায়া।
কাত্যায়নী উমা জগজায়া॥
গিরিজা গৌরী দুর্গা চণ্ডী।
দাক্ষাণায়িনী শাম্ভবী প্রচণ্ডী॥
পার্বতী মঙ্গলা ভবানী।
বিশ্বকারিণী সতী মৃডানী॥
সর্বমঙ্গলা শৈল নন্দিনী।
হেমবতী তুম জগত বন্দিনী॥
ব্রহ্মচারিণী কালরাত্রি জয়।
মহারাত্রি জয় মোহরাত্রি জয়॥
তুম ত্রিমূর্তি রোহিণী কালিকা।
কূষ্মাণ্ডা কার্তিকা চণ্ডিকা॥
তারা ভুবনেশ্বরী অনন্যা।
তুম্হীং ছিন্নমস্তা শুচিধন্যা॥
ধূমাবতী ষোডশী মাতা।
বগলা মাতঙ্গী বিখ্যাতা॥
তুম ভৈরবী মাতু তুম কমলা।
রক্তদন্তিকা কীরতি অমলা॥
শাকম্ভরী কৌশিকী ভীমা।
মহাতমা অগ জগ কী সীমা॥
চন্দ্রঘণ্টিকা তুম সাবিত্রী।
ব্রহ্মবাদিনী মাং গায়ত্রী॥
রূদ্রাণী তুম কৃষ্ণ পিঙ্গলা।
অগ্নিজ্বালা তুম সর্বমঙ্গলা॥
মেঘস্বনা তপস্বিনি যোগিনী।
সহস্রাক্ষি তুম অগজগ ভোগিনী॥
জলোদরী সরস্বতী ডাকিনী।
ত্রিদশেশ্বরী অজেয় লাকিনী॥
পুষ্টি তুষ্টি ধৃতি স্মৃতি শিব দূতী।
কামাক্ষী লজ্জা আহূতী॥
মহোদরী কামাক্ষি হারিণী।
বিনায়কী শ্রুতি মহা শাকিনী॥
অজা কর্মমোহী ব্রহ্মাণী।
ধাত্রী বারাহী শর্বাণী॥
স্কন্দ মাতু তুম সিংহ বাহিনী।
মাতু সুভদ্রা রহহু দাহিনী॥
নাম রূপ গুণ অমিত তুম্হারে।
শেষ শারদা বরণত হারে॥
তনু ছবি শ্যামবর্ণ তব মাতা।
নাম কালিকা জগ বিখ্যাতা॥
অষ্টাদশ তব ভুজা মনোহর।
তিনমহঁ অস্ত্র বিরাজত সুন্দর॥
শঙ্খ চক্র অরূ গদা সুহাবন।
পরিঘ ভুশণ্ডী ঘণ্টা পাবন॥
শূল বজ্র ধনুবাণ উঠাএ।
নিশিচর কুল সব মারি গিরাএ॥
শুম্ভ নিশুম্ভ দৈত্য সংহারে।
রক্তবীজ কে প্রাণ নিকারে॥
চৌংসঠ যোগিনী নাচত সঙ্গা।
মদ্যপান কীন্হৈউ রণ গঙ্গা॥
কটি কিঙ্কিণী মধুর নূপুর ধুনি।
দৈত্যবংশ কাম্পত জেহি সুনি-সুনি॥
কর খপ্পর ত্রিশূল ভয়কারী।
অহৈ সদা সন্তন সুখকারী॥
শব আরূঢ় নৃত্য তুম সাজা।
বজত মৃদঙ্গ ভেরী কে বাজা॥
রক্ত পান অরিদল কো কীন্হা।
প্রাণ তজেউ জো তুম্হিং ন চীন্হা॥
লপলপাতি জিব্হা তব মাতা।
ভক্তন সুখ দুষ্টন দুঃখ দাতা॥
লসত ভাল সেন্দুর কো টীকো।
বিখরে কেশ রূপ অতি নীকো॥
মুণ্ডমাল গল অতিশয় সোহত।
ভুজামল কিঙ্কণ মনমোহন॥
প্রলয় নৃত্য তুম করহু ভবানী।
জগদম্বা কহি বেদ বখানী॥
তুম মশান বাসিনী করালা।
ভজত তুরত কাটহু ভবজালা॥
বাবন শক্তি পীঠ তব সুন্দর।
জহাঁ বিরাজত বিবিধ রূপ ধর॥
বিন্ধবাসিনী কহূঁ বড়াঈ।
কহঁ কালিকা রূপ সুহাঈ॥
শাকম্ভরী বনী কহঁ জ্বালা।
মহিষাসুর মর্দিনী করালা॥
কামাখ্যা তব নাম মনোহর।
পুজবহিং মনোকামনা দ্রুততর॥
চণ্ড মুণ্ড বধ ছিন মহং করেউ।
দেবন কে উর আনন্দ ভরেউ॥
সর্ব ব্যাপিনী তুম মাঁ তারা।
অরিদল দলন লেহু অবতারা॥
খলবল মচত সুনত হুঁকারী।
অগজগ ব্যাপক দেহ তুম্হারী॥
তুম বিরাট রূপা গুণখানী।
বিশ্ব স্বরূপা তুম মহারানী॥
উৎপত্তি স্থিতি লয় তুম্হরে কারণ।
করহু দাস কে দোষ নিবারণ॥
মাঁ উর বাস করহূ তুম অম্বা।
সদা দীন জন কী অবলম্বা॥
তুম্হারো ধ্যান ধরৈ জো কোঈ।
তা কহঁ ভীতি কতহুঁ নহিং হোঈ॥
বিশ্বরূপ তুম আদি ভবানী।
মহিমা বেদ পুরাণ বখানী॥
অতি অপার তব নাম প্রভাবা।
জপত ন রহন রঞ্চ দুঃখ দাবা॥
মহাকালিকা জয় কল্যাণী।
জয়তি সদা সেবক সুখদানী॥
তুম অনন্ত ঔদার্য বিভূষণ।
কীজিএ কৃপা ক্ষমিয়ে সব দূষণ॥
দাস জানি নিজ দয়া দিখাবহু।
সুত অনুমানিত সহিত অপনাবহু॥
জননী তুম সেবক প্রতি পালী।
করহু কৃপা সব বিধি মাঁ কালী॥
পাঠ করৈ চালীসা জোঈ।
তাপর কৃপা তুম্হারী হোঈ॥
॥ দোহা ॥
জয় তারা, জয় দক্ষিণা, কলাবতী সুখমূল।
শরণাগত 'ভক্ত' হৈ, রহহু সদা অনুকূল॥