
Lalita Mata Chalisa
লালিতা মাতা চালিসা
লালিতা মাতা চালিসা হল এক বিশেষ দেবোত্তম গান যা দেবী লালিতা মাতার প্রতি নিবেদিত। লালিতা মাতার পূজা হিন্দু ধর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যেখানে তিনি মহামায়া ও শ্রীশক্তির প্রতীক। এই চালিসার মাধ্যমে ভক্তরা দেবীকে প্রার্থনা করে এবং তাঁর আশীর্বাদ লাভের উদ্দেশ্যে এটি পাঠ করে। লালিতা মাতার বিশেষত্ব হলো তিনি সকল দুঃখ-কষ্ট ও বাধা-বিপত্তি থেকে মুক্তি প্রদান করেন। লালিতা মাতা চালিসা পাঠের মাধ্যমে ভক্তরা শারীরিক, মানসিক ও আত্মিক শান্তি লাভ করে। এটি গভীর আধ্যাত্মিক শক্তি প্রদান করে এবং মানসিক উদ্বেগ ও দুশ্চিন্তা দূর করতে সহায়ক। নিয়মিত এই চালিসা পাঠ করলে জীবনে সুখ ও সমৃদ্ধি আসে, এবং জীবনের সকল বাধা অতিক্রম করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এই চালিসা সাধারণত শুক্র ও মঙ্গলবার বা দেবীর বিশেষ দিনে পাঠ করা হয়। চালিসাটি সঠিকভাবে পাঠ করার জন্য একটি শুদ্ধ স্থান নির্বাচন করা উচিত, যেখানে মনোযোগ নিবদ্ধ করে দেবীর প্রতি ভক্তি ও প্রেম নিবেদন করা যায়। লালিতা মাতার প্রতি এই বিশেষ নিবেদন ভক্তদের জীবনে আনন্দ ও শান্তি বয়ে আনে।
জয়তি জয়তি জয় ললিতে মাতা।
তব গুণ মহিমা হৈ বিখ্যাতা॥
তূ সুন্দরী, ত্রিপুরেশ্বরী দেবী।
সুর নর মুনি তেরে পদ সেবী॥
তূ কল্যাণী কষ্ট নিবারিণী।
তূ সুখ দায়িনী, বিপদা হারিণী॥
মোহ বিনাশিনী দৈত্য নাশিনী।
ভক্ত ভাবিনী জ্যোতি প্রকাশিনী॥
আদি শক্তি শ্রী বিদ্যা রূপা।
চক্র স্বামিনী দেহ অনূপা॥
হৃদয় নিবাসিনী-ভক্ত তারিণী।
নানা কষ্ট বিপতি দল হারিণী॥
দশ বিদ্যা হৈ রুপ তুম্হারা।
শ্রী চন্দ্রেশ্বরী নৈমিষ প্যারা॥
ধূমা, বগলা, ভৈরবী, তারা।
ভুবনেশ্বরী, কমলা, বিস্তারা॥
ষোডশী, ছিন্ন্মস্তা, মাতঙ্গী।
ললিতেশক্তি তুম্হারী সঙ্গী॥
ললিতে তুম হো জ্যোতিত ভালা।
ভক্ত জনোং কা কাম সম্ভালা॥
ভারী সঙ্কট জব-জব আয়ে।
উনসে তুমনে ভক্ত বচাএ॥
জিসনে কৃপা তুম্হারী পায়ী।
উসকী সব বিধি সে বন আয়ী॥
সঙ্কট দূর করো মাঁ ভারী।
ভক্ত জনোং কো আস তুম্হারী॥
ত্রিপুরেশ্বরী, শৈলজা, ভবানী।
জয় জয় জয় শিব কী মহারানী॥
যোগ সিদ্দি পাবেং সব যোগী।
ভোগেং ভোগ মহা সুখ ভোগী॥
কৃপা তুম্হারী পাকে মাতা।
জীবন সুখময় হৈ বন জাতা॥
দুখিয়োং কো তুমনে অপনায়া।
মহা মূঢ় জো শরণ ন আয়া॥
তুমনে জিসকী ওর নিহারা।
মিলী উসে সম্পত্তি, সুখ সারা॥
আদি শক্তি জয় ত্রিপুর প্যারী।
মহাশক্তি জয় জয়, ভয় হারী॥
কুল যোগিনী, কুণ্ডলিনী রূপা।
লীলা ললিতে করেং অনূপা॥
মহা-মহেশ্বরী, মহা শক্তি দে।
ত্রিপুর-সুন্দরী সদা ভক্তি দে॥
মহা মহা-নন্দে কল্যাণী।
মূকোং কো দেতী হো বাণী॥
ইচ্ছা-জ্ঞান-ক্রিয়া কা ভাগী।
হোতা তব সেবা অনুরাগী॥
জো ললিতে তেরা গুণ গাবে।
উসে ন কোঈ কষ্ট সতাবে॥
সর্ব মঙ্গলে জ্বালা-মালিনী।
তুম হো সর্ব শক্তি সঞ্চালিনী॥
আয়া মাঁ জো শরণ তুম্হারী।
বিপদা হরী উসী কী সারী॥
নামা কর্ষিণী, চিন্তা কর্ষিণী।
সর্ব মোহিনী সব সুখ-বর্ষিণী॥
মহিমা তব সব জগ বিখ্যাতা।
তুম হো দয়াময়ী জগ মাতা॥
সব সৌভাগ্য দায়িনী ললিতা।
তুম হো সুখদা করুণা কলিতা॥
আনন্দ, সুখ, সম্পত্তি দেতী হো।
কষ্ট ভয়ানক হর লেতী হো॥
মন সে জো জন তুমকো ধ্যাবে।
বহ তুরন্ত মন বাঞ্ছিত পাবে॥
লক্ষ্মী, দুর্গা তুম হো কালী।
তুম্হীং শারদা চক্র-কপালী॥
মূলাধার, নিবাসিনী জয় জয়।
সহস্রার গামিনী মাঁ জয় জয়॥
ছঃ চক্রোং কো ভেদনে বালী।
করতী হো সবকী রখবালী॥
যোগী, ভোগী, ক্রোধী, কামী।
সব হৈং সেবক সব অনুগামী॥
সবকো পার লগাতী হো মাঁ।
সব পর দয়া দিখাতী হো মাঁ॥
হেমাবতী, উমা, ব্রহ্মাণী।
ভণ্ডাসুর কি হৃদয় বিদারিণী॥
সর্ব বিপতি হর, সর্বাধারে।
তুমনে কুটিল কুপন্থী তারে॥
চন্দ্র- ধারিণী, নৈমিশ্বাসিনী।
কৃপা করো ললিতে অধনাশিনী॥
ভক্ত জনোং কো দরস দিখাও।
সংশয় ভয় সব শীঘ্র মিটাও॥
জো কোঈ পঢ়ে ললিতা চালীসা।
হোবে সুখ আনন্দ অধীসা॥
জিস পর কোঈ সঙ্কট আবে।
পাঠ করে সঙ্কট মিট জাবে॥
ধ্যান লগা পঢ়ে ইক্কীস বারা।
পূর্ণ মনোরথ হোবে সারা॥
পুত্র-হীন সন্ততি সুখ পাবে।
নির্ধন ধনী বনে গুণ গাবে॥
ইস বিধি পাঠ করে জো কোঈ।
দুঃখ বন্ধন ছূটে সুখ হোঈ॥
জিতেন্দ্র চন্দ্র ভারতীয় বতাবেং।
পঢ়েং চালীসা তো সুখ পাবেং॥
সবসে লঘু উপায় যহ জানো।
সিদ্ধ হোয় মন মেং জো ঠানো॥
ললিতা করে হৃদয় মেং বাসা।
সিদ্দি দেত ললিতা চালীসা॥
॥ দোহা ॥
ললিতে মাঁ অব কৃপা করো, সিদ্ধ করো সব কাম।
শ্রদ্ধা সে সির নায় করে, করতে তুম্হেং প্রণাম॥