
Mahakali Mata Chalisa
মহাকালী মাতা চালীসা
মহাকালী মাতা চালীসা হল একটি অত্যন্ত পবিত্র ভক্তিগীতি, যা দেবী কালীর উদ্দেশ্যে নিবেদিত। মহাকালী, যিনি শক্তির প্রতীক, অন্ধকারকে দূর করে আলোর পথে নিয়ে আসেন, তাঁর প্রতি ভক্তির প্রকাশ এই চালীসার মাধ্যমে হয়। এই গীতির মূল উদ্দেশ্য হল দেবী কালীর আশীর্বাদ লাভ করা, যিনি দুঃখ, কষ্ট এবং অশান্তি থেকে মুক্তি দেন। মহাকালী মাতা চালীসা পাঠ করার মাধ্যমে ভক্তরা নানা ধরনের উপকারিতা লাভ করেন। এটি শুধু আধ্যাত্মিক শান্তি এনে দেয় না, বরং মানসিক চাপ কমাতে এবং শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে। নিয়মিত ভিত্তিতে এই চালীসা পাঠ করলে জীবনের সমস্যাগুলি সহজে সমাধান হয় এবং ভক্তের দেহে ও মনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসে। এই চালীসা সাধারণত মঙ্গলবার ও শনিবার পাঠ করতে বলা হয়, যখন মহাকালী পূজিত হন। চালীসা পাঠের সময় একটি পরিষ্কার স্থানে বসে, মনকে একাগ্র করে এবং দেবীর নাম জপ করে পাঠ করা উচিত। এভাবে ভক্তরা মহাকালী মাতার আশীর্বাদ লাভের পাশাপাশি জীবনে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি আনতে সক্ষম হন।
জয় জয় সীতারাম কে, মধ্যবাসিনী অম্ব।
দেহু দর্শ জগদম্ব, অব করো ন মাতু বিলম্ব॥
জয় তারা জয় কালিকা, জয় দশ বিদ্যা বৃন্দ।
কালী চালীসা রচত, এক সিদ্ধি কবি হিন্দ॥
প্রাতঃ কাল উঠ জো পঢ়ে, দুপহরিয়া যা শাম।
দুঃখ দরিদ্রতা দূর হোং, সিদ্ধি হোয় সব কাম॥
॥চৌপাঈ॥
জয় কালী কঙ্কাল মালিনী।
জয় মঙ্গলা মহা কপালিনী॥
রক্তবীজ বধকারিণি মাতা।
সদা ভক্ত জননকী সুখদাতা॥
শিরো মালিকা ভূষিত অঙ্গে।
জয় কালী জয় মদ্য মতঙ্গে॥
হর হৃদয়ারবিন্দ সুবিলাসিনি।
জয় জগদম্বা সকল দুঃখ নাশিনি॥
হ্রীং কালী শ্রী মহাকালী।
ক্রীং কল্যাণী দক্ষিণাকালী॥
জয় কলাবতী জয় বিদ্যাবতী।
জয় তারা সুন্দরী মহামতি॥
দেহু সুবুদ্ধি হরহু সব সঙ্কট।
হোহু ভক্ত কে আগে পরগট॥
জয় ওঁ কারে জয় হুঙ্কারে।
মহা শক্তি জয় অপরম্পারে॥
কমলা কলিয়ুগ দর্প বিনাশিনী।
সদা ভক্ত জন কে ভয়নাশিনী॥
অব জগদম্ব ন দের লগাবহু।
দুখ দরিদ্রতা মোর হটাবহু॥
জয়তি করাল কালিকা মাতা।
কালানল সমান দ্যুতিগাতা॥
জয়শঙ্করী সুরেশি সনাতনি।
কোটি সিদ্ধি কবি মাতু পুরাতনি॥
কপর্দিনী কলি কল্প বিমোচনি।
জয় বিকসিত নব নলিনবিলোচনি॥
আনন্দ করণি আনন্দ নিধানা।
দেহুমাতু মোহি নির্মল জ্ঞানা॥
করুণামৃত সাগর কৃপাময়ী।
হোহু দুষ্ট জনপর অব নির্দয়ী॥
সকল জীব তোহি পরম পিয়ারা।
সকল বিশ্ব তোরে আধারা॥
প্রলয় কাল মেং নর্তন কারিণি।
জয় জননী সব জগ কী পালনি॥
মহোদরী মহেশ্বরী মায়া।
হিমগিরি সুতা বিশ্ব কী ছায়া॥
স্বছন্দ রদ মারদ ধুনি মাহী।
গর্জত তুম্হী ঔর কোউ নাহী॥
স্ফুরতি মণিগণাকার প্রতানে।
তারাগণ তূ ব্যোম বিতানে॥
শ্রী ধারে সন্তন হিতকারিণী।
অগ্নি পাণি অতি দুষ্ট বিদারিণি॥
ধূম্র বিলোচনি প্রাণ বিমোচনি।
শুম্ভ নিশুম্ভ মথনি বরলোচনি॥
সহস ভুজী সরোরুহ মালিনী।
চামুণ্ডে মরঘট কী বাসিনী॥
খপ্পর মধ্য সুশোণিত সাজী।
মারেহু মাঁ মহিষাসুর পাজী॥
অম্ব অম্বিকা চণ্ড চণ্ডিকা।
সব একে তুম আদি কালিকা॥
অজা একরূপা বহুরূপা।
অকথ চরিত্র তব শক্তি অনূপা॥
কলকত্তা কে দক্ষিণ দ্বারে।
মূরতি তোর মহেশি অপারে॥
কাদম্বরী পানরত শ্যামা।
জয় মাতঙ্গী কাম কে ধামা॥
কমলাসন বাসিনী কমলায়নি।
জয় শ্যামা জয় জয় শ্যামায়নি॥
মাতঙ্গী জয় জয়তি প্রকৃতি হে।
জয়তি ভক্তি উর কুমতি সুমতি হৈ॥
কোটিব্রহ্ম শিব বিষ্ণু কামদা।
জয়তি অহিংসা ধর্ম জন্মদা॥
জল থল নভমণ্ডল মেং ব্যাপিনী।
সৌদামিনি মধ্য অলাপিনি॥
ঝননন তচ্ছু মরিরিন নাদিনি।
জয় সরস্বতী বীণা বাদিনী॥
ওঁ ঐং হ্রীং ক্লীং চামুণ্ডায়ৈ বিচ্চে।
কলিত কণ্ঠ শোভিত নরমুণ্ডা॥
জয় ব্রহ্মাণ্ড সিদ্ধি কবি মাতা।
কামাখ্যা ঔর কালী মাতা॥
হিঙ্গলাজ বিন্ধ্যাচল বাসিনী।
অট্টহাসিনী অরু অঘন নাশিনী॥
কিতনী স্তুতি করূঁ অখণ্ডে।
তূ ব্রহ্মাণ্ডে শক্তিজিতচণ্ডে॥
করহু কৃপা সবপে জগদম্বা।
রহহিং নিশঙ্ক তোর অবলম্বা॥
চতুর্ভুজী কালী তুম শ্যামা।
রূপ তুম্হার মহা অভিরামা॥
খড্গ ঔর খপ্পর কর সোহত।
সুর নর মুনি সবকো মন মোহত॥
তুম্হরি কৃপা পাবে জো কোঈ।
রোগ শোক নহিং তাকহঁ হোঈ॥
জো যহ পাঠ করে চালীসা।
তাপর কৃপা করহি গৌরীশা॥
॥দোহা॥
জয় কপালিনী জয় শিবা, জয় জয় জয় জগদম্ব।
সদা ভক্তজন কেরি দুঃখ হরহু, মাতু অবলম্ব॥