
Parvati Mata Chalisa
পার্বতী মাতা চालीসা
পার্বতী মাতা চালীসা হল একটি বিশেষ ভক্তিমূলক গীতি যা মা পার্বতীকে নিবেদিত। মা পার্বতী, যিনি শিবের পত্নী এবং শক্তির প্রতীক, ভক্তদের কাছে স্নেহ, প্রেম এবং শক্তির প্রদাতা হিসেবে পরিচিত। এই চালীসার মাধ্যমে ভক্তরা মা পার্বতীর আশীর্বাদ লাভের প্রার্থনা করেন এবং তাঁর সাহায্য চান জীবনের নানান সংকটে। এই চালীসা পাঠের উদ্দেশ্য হল আত্মিক উন্নতি এবং মানসিক শান্তি লাভ করা। নিয়মিত পার্বতী মাতা চালীসা পাঠ করলে ভক্তরা জীবনের বিভিন্ন দুঃখ-কষ্ট ও সমস্যা থেকে মুক্তি পান। এটি বিশ্বাস করা হয় যে, চালীসা পাঠে মা পার্বতীর কৃপা লাভের মাধ্যমে স্বাস্থ্য, সুখ, ও সমৃদ্ধি বৃদ্ধি পায়। এছাড়াও, এটি মনোযোগ এবং আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধিতে সহায়ক। পার্বতী মাতা চালীসা সাধারণত সোমবার বা শিবরাত্রির দিন পাঠ করা হয়, বিশেষ করে যখন ভক্তরা মা পার্বতীর প্রতি বিশেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করতে চান। এই চালীসা পাঠ করার সময় একটি শুদ্ধ মন এবং ভক্তির সঙ্গে মা'কে স্মরণ করা উচিত। এটি একত্রে গায়ে গায়ে গাওয়া হলে
জয় গিরী তনয়ে দক্ষজে, শম্ভু প্রিয়ে গুণখানি।
গণপতি জননী পার্বতী, অম্বে! শক্তি! ভবানি॥
॥চৌপাঈ॥
ব্রহ্মা ভেদ ন তুম্হরো পাবে।
পঞ্চ বদন নিত তুমকো ধ্যাবে॥
ষড্মুখ কহি ন সকত যশ তেরো।
সহসবদন শ্রম করত ঘনেরো॥
তেঊ পার ন পাবত মাতা।
স্থিত রক্ষা লয় হিত সজাতা॥
অধর প্রবাল সদৃশ অরুণারে।
অতি কমনীয় নয়ন কজরারে॥
ললিত ললাট বিলেপিত কেশর।
কুঙ্কুম অক্ষত শোভা মনহর॥
কনক বসন কঞ্চুকী সজাএ।
কটী মেখলা দিব্য লহরাএ॥
কণ্ঠ মদার হার কী শোভা।
জাহি দেখি সহজহি মন লোভা॥
বালারুণ অনন্ত ছবি ধারী।
আভূষণ কী শোভা প্যারী॥
নানা রত্ন জটিত সিংহাসন।
তাপর রাজতি হরি চতুরানন॥
ইন্দ্রাদিক পরিবার পূজিত।
জগ মৃগ নাগ যক্ষ রব কূজিত॥
গির কৈলাস নিবাসিনী জয় জয়।
কোটিক প্রভা বিকাসিন জয় জয়॥
ত্রিভুবন সকল কুটুম্ব তিহারী।
অণু অণু মহং তুম্হারী উজিয়ারী॥
হৈং মহেশ প্রাণেশ! তুম্হারে।
ত্রিভুবন কে জো নিত রখবারে॥
উনসো পতি তুম প্রাপ্ত কীন্হ জব।
সুকৃত পুরাতন উদিত ভএ তব॥
বূঢ়া বৈল সবারী জিনকী।
মহিমা কা গাবে কোউ তিনকী॥
সদা শ্মশান বিহারী শঙ্কর।
আভূষণ হৈং ভুজঙ্গ ভয়ঙ্কর॥
কণ্ঠ হলাহল কো ছবি ছায়ী।
নীলকণ্ঠ কী পদবী পায়ী॥
দেব মগন কে হিত অস কীন্হোং।
বিষ লৈ আপু তিনহি অমি দীন্হোং॥
তাকী তুম পত্নী ছবি ধারিণি।
দূরিত বিদারিণী মঙ্গল কারিণি॥
দেখি পরম সৌন্দর্য তিহারো।
ত্রিভুবন চকিত বনাবন হারো॥
ভয় ভীতা সো মাতা গঙ্গা।
লজ্জা ময় হৈ সলিল তরঙ্গা॥
সৌত সমান শম্ভু পহআয়ী।
বিষ্ণু পদাব্জ ছোড়ি সো ধায়ী॥
তেহিকোং কমল বদন মুরঝায়ো।
লখি সত্বর শিব শীশ চঢ়ায়ো॥
নিত্যানন্দ করী বরদায়িনী।
অভয় ভক্ত কর নিত অনপায়িনী॥
অখিল পাপ ত্রয়তাপ নিকন্দিনি।
মাহেশ্বরী হিমালয় নন্দিনি॥
কাশী পুরী সদা মন ভায়ী।
সিদ্ধ পীঠ তেহি আপু বনায়ী॥
ভগবতী প্রতিদিন ভিক্ষা দাত্রী।
কৃপা প্রমোদ সনেহ বিধাত্রী॥
রিপুক্ষয় কারিণি জয় জয় অম্বে।
বাচা সিদ্ধ করি অবলম্বে॥
গৌরী উমা শঙ্করী কালী।
অন্নপূর্ণা জগ প্রতিপালী॥
সব জন কী ঈশ্বরী ভগবতী।
পতিপ্রাণা পরমেশ্বরী সতী॥
তুমনে কঠিন তপস্যা কীনী।
নারদ সোং জব শিক্ষা লীনী॥
অন্ন ন নীর ন বায়ু অহারা।
অস্থি মাত্রতন ভয়উ তুম্হারা॥
পত্র ঘাস কো খাদ্য ন ভায়উ।
উমা নাম তব তুমনে পায়উ॥
তপ বিলোকি রিষি সাত পধারে।
লগে ডিগাবন ডিগী ন হারে॥
তব তব জয় জয় জয় উচ্চারেউ।
সপ্তরিষি নিজ গেহ সিধারেউ॥
সুর বিধি বিষ্ণু পাস তব আএ।
বর দেনে কে বচন সুনাএ॥
মাঙ্গে উমা বর পতি তুম তিনসোং।
চাহত জগ ত্রিভুবন নিধি জিনসোং॥
এবমস্তু কহি তে দোঊ গএ।
সুফল মনোরথ তুমনে লএ॥
করি বিবাহ শিব সোং হে ভামা।
পুনঃ কহাঈ হর কী বামা॥
জো পঢ়িহৈ জন যহ চালীসা।
ধন জন সুখ দেইহৈ তেহি ঈসা॥
॥দোহা॥
কূট চন্দ্রিকা সুভগ শির, জয়তি জয়তি সুখ খানি।
পার্বতী নিজ ভক্ত হিত, রহহু সদা বরদানি॥