Shitala Mata Chalisa

Shitala Mata Chalisa

শীতলা মাতা চालीসা

Shitala JaiBengali

শীতলা মাতা চালিসা শীতলা মাতার প্রতি নিবেদিত একটি পবিত্র স্তোত্র, যা বিশেষ করে রোগমুক্তি এবং শান্তির জন্য পাঠ করা হয়। শীতলা মাতা হলেন রোগ এবং অসুস্থতার উপদ্রব থেকে রক্ষা করার দেবী। তাঁকে সাধারণত জ্বর, চর্মরোগ ও অন্যান্য মারাত্মক রোগের দেবী হিসেবে গণ্য করা হয়। এই চালিসা পাঠের মাধ্যমে ভক্তরা শীতলা মাতার আশীর্বাদ লাভের আশা করেন এবং রোগের দুঃখ থেকে মুক্তি প্রার্থনা করেন। শীতলা মাতা চালিসা পাঠের মাধ্যমে ভক্তরা শুধুমাত্র শারীরিক রোগ থেকে মুক্তি পান না, বরং মানসিক এবং আধ্যাত্মিক শান্তিও লাভ করেন। নিয়মিত এই স্তোত্র পাঠ করলে শীতলার আশীর্বাদে মনের উদ্বেগ দূর হয় এবং জীবনে সুখ-সমৃদ্ধি আসে। এই চালিসা সাধারণত শুক্র বা শনিবারের দিন পাঠ করা হয়, বিশেষ করে শীতলা সাপ্তাহিক পুজোর সময়। পাঠের সময় একটি পরিষ্কার স্থানে বসে দেবীর প্রতি গভীর ভক্তি ও শ্রদ্ধার সঙ্গে এই স্তোত্র পাঠ করলে দ্রুত ফল লাভের আশা করা হয়। এই চালিসা পাঠের সময় বিশেষ কিছু নিয়ম মানা উচিত, যেমন স্বচ্ছতা

2 views
॥ দোহা ॥

জয়-জয় মাতা শীতলা, তুমহিং ধরৈ জো ধ্যান।
হোয় বিমল শীতল হৃদয়, বিকসৈ বুদ্ধি বলজ্ঞান॥

॥চৌপাঈ॥

জয়-জয়-জয় শীতলা ভবানী।
জয় জগ জননি সকল গুণখানী॥

গৃহ-গৃহ শক্তি তুম্হারী রাজিত।
পূরণ শরদচন্দ্র সমসাজিত॥

বিস্ফোটক সে জলত শরীরা।
শীতল করত হরত সব পীরা॥

মাতু শীতলা তব শুভনামা।
সবকে গাঢ়ে আবহিং কামা॥

শোকহরী শঙ্করী ভবানী।
বাল-প্রাণরক্ষী সুখ দানী॥

শুচি মার্জনী কলশ কররাজৈ।
মস্তক তেজ সূর্য সমরাজৈ॥

চৌসঠ যোগিন সঙ্গ মেং গাবৈং।
বীণা তাল মৃদঙ্গ বজাবৈ॥

নৃত্য নাথ ভৈরো দিখরাবৈং।
সহজ শেষ শিব পার না পাবৈং॥

ধন্য-ধন্য ধাত্রী মহারানী।
সুরনর মুনি তব সুয়শ বখানী॥

জ্বালা রূপ মহা বলকারী।
দৈত্য এক বিস্ফোটক ভারী॥

ঘর-ঘর প্রবিশত কোঈ ন রক্ষত।
রোগ রূপ ধরি বালক ভক্ষত॥

হাহাকার মচ্যো জগভারী।
সক্যো ন জব সঙ্কট টারী॥

তব মৈয়া ধরি অদ্ভুত রূপা।
করমেং লিয়ে মার্জনী সূপা॥

বিস্ফোটকহিং পকড়ি কর লীন্হ্যো।
মুসল প্রহার বহুবিধি কীন্হ্যো॥

বহুত প্রকার বহ বিনতী কীন্হা।
মৈয়া নহীং ভল মৈং কছু চীন্হা॥

অবনহিং মাতু, কাহুগৃহ জইহৌং।
জহঁ অপবিত্র সকল দুঃখ হরিহৌং॥

ভভকত তন, শীতল হ্বৈ জইহৈং।
বিস্ফোটক ভয়ঘোর নসইহৈং॥

শ্রী শীতলহিং ভজে কল্যানা।
বচন সত্য ভাষে ভগবানা॥

বিস্ফোটক ভয় জিহি গৃহ ভাঈ।
ভজৈ দেবি কহঁ যহী উপাঈ॥

কলশ শীতলা কা সজবাবৈ।
দ্বিজ সে বিধিবত পাঠ করাবৈ॥

তুম্হীং শীতলা, জগ কী মাতা।
তুম্হীং পিতা জগ কী সুখদাতা॥

তুম্হীং জগদ্ধাত্রী সুখসেবী।
নমো নমামি শীতলে দেবী॥

নমো সুক্খকরণী দুঃখহরণী।
নমো-নমো জগতারণি তরণী॥

নমো-নমো ত্রৈলোক্য বন্দিনী।
দুখদারিদ্রাদিক কন্দিনী॥

শ্রী শীতলা, শেঢ়লা, মহলা।
রুণলীহ্যুণনী মাতু মন্দলা॥

হো তুম দিগম্বর তনুধারী।
শোভিত পঞ্চনাম অসবারী॥

রাসভ, খর বৈশাখ সুনন্দন।
গর্দভ দুর্বাকন্দ নিকন্দন॥

সুমিরত সঙ্গ শীতলা মাঈ।
জাহি সকল দুখ দূর পরাঈ॥

গলকা, গলগন্ডাদি জুহোঈ।
তাকর মন্ত্র ন ঔষধি কোঈ॥

এক মাতু জী কা আরাধন।
ঔর নহিং কোঈ হৈ সাধন॥

নিশ্চয় মাতু শরণ জো আবৈ।
নির্ভয় মন ইচ্ছিত ফল পাবৈ॥

কোঢ়ী, নির্মল কায়া ধারৈ।
অন্ধা, দৃগ-নিজ দৃষ্টি নিহারৈ॥

বন্ধ্যা নারি পুত্র কো পাবৈ।
জন্ম দরিদ্র ধনী হোঈ জাবৈ॥

মাতু শীতলা কে গুণ গাবত।
লখা মূক কো ছন্দ বনাবত॥

যামে কোঈ করৈ জনি শঙ্কা।
জগ মে মৈয়া কা হী ডঙ্কা॥

ভনত রামসুন্দর প্রভুদাসা।
তট প্রয়াগ সে পূরব পাসা॥

পুরী তিবারী মোর নিবাসা।
ককরা গঙ্গা তট দুর্বাসা॥

অব বিলম্ব মৈং তোহি পুকারত।
মাতু কৃপা কৌ বাট নিহারত॥

পড়া ক্ষর তব আস লগাঈ।
রক্ষা করহু শীতলা মাঈ॥

॥ দোহা ॥

ঘট-ঘট বাসী শীতলা, শীতল প্রভা তুম্হার।
শীতল ছইয়াং মেং ঝুলঈ, মইয়া পলনা ডার॥